মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জন সমুহ

অর্জনসমুহঃ

(ক) দুধ উপাদনঃ বৃদ্ধি

(খ) মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি

(গ) ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি

 

                                           প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনঃ

ক্রমিক নং

অর্থ বছর

দুধ(মিলিয়ন মে.টন)

মাংশ

ডিম ( বিলিয়ন)

২০০৯-২০১০

২.৩৭

১.২৬

৫.৭৪

২০১৬-২০১৭

৯.২৮

৭.১৫

১৪.৯৩

 

     প্রাণিজ আমিষের প্রাপ্যতাঃ          

ক্রমিক নং

অর্থ বছর

দুধ (মিলি/জন/প্রতি)

মাংশ(গ্রাম/জন/দিন)

ডিম ( টি/জন/বছর)

২০০৯-২০১০

৪৪.৩৮

২৩.৭২

৩৯.৩৩

২০১৬-২০১৭

১৫৭.৯৭

১২১.৭৪

৯২.৭৫

                                                  

                                                  জেলার উৎপাদনের চিত্রঃ

ক্রমিক নং

কার্যক্রমের নাম

অর্থ বৎসর

২০০৮-২০০৯

২০১৭-২০১৮

ডিম ( সংখ্যা )

১৮,০০,০০০

৪,২০,০০০০০

দুধ ( মে.টন )

১১,১২০

১৮,২০০

মাংস  মে.টন)

১০,৯০০

১৬,৫২০

 

 

(ঘ) দারিদ্র হ্রাসকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিঃ ২০০৯-২০১৬-১৭ অর্থ বছর পর্যমত্ম প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক মোট ১৪০৮৮ জন বেকার যুবক,যুব-মহিলা,দুস্থ মহিলা,ভহমিহীন ও প্রামিত্মক কৃষককে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগী পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব ঘোচানোর চেষ্ঠা করা হয়েছে ।

(জ) এভিয়ান ইফ্লুয়েঞ্জা/বার্ড ফ্লু নিয়ন্ত্রনঃ এভিয়ান ইনফ্লুযয়েঞ্জা প্রতিরোধকল্পে ৫টি উপজেলা সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম জনোটিক এবং ইনফেকসাস রোগের সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে ।

(ঝ) প্রোজেনী টেস্টেড বুল ঘোষনাঃ জাত উন্নয়নের মাধ্যমে গবাদিপশুর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মত প্রোজেনী টেষ্টেডপ ষাঁড় উৎপাদনে সফলতা এসেছে। শেরপুর জেলার এই প্রকল্পের আওতায় সকল উপজেলায় কার্যক্রম চলছে ।

(ঞ)গবাদি পশুর রিন্ডারপেষ্ট মুক্ত বাংলাদেশ ঘোষণাঃ  এই রোগটি নির্মূল করার লক্ষ্যে সারাদেশে গত কয়েক দশকে গবাদিপশুতে একাধিকক্রমে রিন্ডারপেষ্ট টিকা প্রয়োগ করা হয় । অবশেষে ২০১০ সালে World Organisation for Animal Health (OIE) কর্তৃক বালাদেশকে রিন্ডারপেষ্ট মুক্ত ঘোষণা করে ।

(ট) বিনামূল্যে এস,এম,এস এর মাধ্যমে পরামর্শ সেবাঃ ই-সার্ভিসের অংশ হিসেবে কৃষক/খামারীগণ অতি সহজে তাদের হাঁস-মুরগি,গবাদিপশুর যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য ১৬৩৫৮ নম্বরে যে কোন মোবাইল থেকে এসএমএস পাঠিয়ে বিনামূল্যে পরামর্শ সেবা পাচ্ছেন ।

(ঠ) দুগ্ধ খামারিদের ঋণ প্রদানঃ বাংলাদেশকে দুগ্ধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণের কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে । এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুর জেলায় ১,২৮,৩০,০০০/-টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ।

(ড) প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহঃ ২০১৮ইং সালে অত্র জেলা ও উপজেলাসমুহ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ/১৮ইং যথাযথ ভাবে উদযাপন করা হয়েছে ।

(ঢ) মাংসল জাতের গরম্ন উৎপাদনঃ প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেদেশের আবহাওয়া উপযোগী সংকর জাতের বীফ ব্রীড উন্নয়নের লক্ষ্যেআমেরিকা থেকে ১০০% ব্রাহমা জাতের হিসায়িত সিমেন আমদানী করে দেশী জাতের গাভীর সাথে প্রজনন করতঃ মাংসল জাতের গরম্নর উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে ।এই প্রকল্পের আওতায় শেরপুর জেলার ২টি উপজেলা (নালিতাবাড়ী ও নকলা ) কার্যক্রম চলছে ।

(থ) আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনঃ দেশীয় গরম্নয ছাগলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে কোরবানীর পশুর চাহিদা পূরণ বর্তমান সরকারের একটি বড় ধরম্ননের সাফল্য ।

(দ) প্রাণিজ পন্য ও উপজাত রপ্তানিঃ বাংলাদেশ থেকে প্রাণিজ খাদ্য ও প্রাণিজ অপ্রচলিত উপজাত বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে ।

(ধ)পুষ্টিমান সম্পন্ন সুষতকম খাদ্য প্রাপ্যতা বৃদ্ধিঃ ২০০৯-১০ অর্থ-বছরে মাংস,দুধ,ও ডিমের জন প্রতি প্রাপ্যতা ছিল যথাক্রমে২৩.৭২গ্রাম/দিন,৪০.৩৮মি.লি/দিন ও ৩৯টি/বছর। বর্তমানে মাংস,দুধ ও ডিমের জন প্রতি প্রাপ্যতা বেড়ে যথাক্রমে ১২১.৭৪ গ্রাম/দিন,১৫৭.৯৭মি.লি/দিন ও ৯২.৭৫টি/বছর এ উন্নীত হয়েছে যা দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতে গুরম্নত্বপূর্ন ভুমিকা রাখছে ।

(ন) নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ বাসত্মবায়নঃ পশুখাদ্যে ফরমালিনসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ রাসায়নিক পদার্থ ও ভেজাল মিশ্রণে কুফর সম্পর্কে জনসচেতনতা সূষ্টির লক্ষ্যেএ পর্যমত্ম ৩৬০টি সভা/ সেমিনার,মাইকিং,বিল বোর্ড স্থাপন,লিফলেট বিতরণ ও ষ্টেকহোল্ডারদেরকে প্রষিক্ষন প্রদান করা হয়েছে ।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষার প্রসারঃ বর্ণিত সময়ে ঝিনাইদহ সরকারী ভেটেরিনারী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । আরও ৪টি প্রাণিসম্পদ ডিপেস্নামা ইনষ্টি&&টউট স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে । 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter